বিশ্বে আজ (১৭ অক্টোবর): শ্রীলঙ্কায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়
শ্রীলঙ্কায় জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়েছে। অন্যদিকে জাতিসংঘের জলবায়ু মূল্যায়ন প্রতিবেদনের প্রকাশকাল নিয়ে আলোচনায় সমঝোতা হয়নি বলে জানিয়েছেন ফ্রান্সের এক দূত।
শ্রীলঙ্কার জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়
শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর ২০২২ সালের দৃশ্য; বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের ছবি নয়। ছবি: XKillSwitchXxx, CC BY-SA 4.0, Wikimedia Commons।
বাসসে প্রকাশিত AFP-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার শ্রীলঙ্কার জাতীয় গ্রিড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত ছিল [1]। প্রকৌশলীরা ত্রুটি মেরামতে কাজ করছিলেন; জ্বালানিমন্ত্রী ধাপে ধাপে সরবরাহ ফেরানোর আশার কথা বলেছেন [1]। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দিনের শেষেও পুরো দেশ বিদ্যুৎহীন ছিল—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।
সৌরবিদ্যুৎ ও চাহিদার ভারসাম্য নিয়ে প্রশ্ন
রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছে, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়া বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে [1]। এটি কর্তৃপক্ষের সন্দেহ; চূড়ান্ত তদন্তের ফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়নি। বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ সম্প্রসারণের আলোচনাতেও উৎপাদনের পাশাপাশি গ্রিড পরিচালনা ও চাহিদার ভারসাম্যের বিষয়টি প্রাসঙ্গিক।
জলবায়ু প্রতিবেদন কবে, সমঝোতা হয়নি
ফ্রান্সের দূত বেনোয়া ফারাকোর বক্তব্য অনুযায়ী, এক সপ্তাহের আলোচনার পরও IPCC-র পরবর্তী বড় মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশের সময় নিয়ে সমঝোতা হয়নি [2]। অনেক দেশ ২০২৮ সালে প্রতিবেদন চাইলেও কয়েকটি দেশ ২০২৯ সালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে AFP জানিয়েছে [2]। জলবায়ুঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মূল্যায়নের সময়সূচি প্রাসঙ্গিক, কারণ বৈশ্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা ও জাতীয় পরিকল্পনায় এসব তথ্য ব্যবহৃত হয়।
সৌরবিদ্যুৎ বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রিডের স্থিতিশীলতা নিয়ে বাংলাদেশের কোন তথ্যগুলো আরও নিয়মিত প্রকাশ করা উচিত বলে মনে করেন?
তথ্যসূত্র
[1] AFP, "Sri Lanka suffers nationwide electricity blackout," Bangladesh Sangbad Sangstha, Oct. 17, 2026. [Online]. Available: bssnews.net
[2] AFP, "UN climate panel fails to agree date for global warming update: envoy," Bangladesh Sangbad Sangstha, Oct. 17, 2026. [Online]. Available: bssnews.net